সারাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সারাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০১৬

৯.০ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা বাংলাদেশ ও ভারতে!

৯.০ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা বাংলাদেশ ও ভারতে!


যে কোনও সময় ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠতে পারে বাংলাদেশ ও ভারত। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা হতে পারে ৯.০!
এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ভূ-তাত্ত্বিক এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই ভয়াবহ তথ্য। বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, এত বড় মাপের ভূমিকম্পে বাংলাদেশ ও গোটা পূর্ব ভারত 'ধ্বংসস্তূপে' পরিণত হবে। বিশেষ করে শহুরে এলাকায় এই ভূমিকম্পের প্রভাব পড়বে সবচেয়ে বেশি। নেচার জার্নাল জিওসায়েন্সে সম্প্রতি সমীক্ষাটি প্রকাশিত হয়েছে।
২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে ভূমিকম্প ও তার থেকে তৈরি ভূমিকম্পে ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ভয়াবহ সেই সুনামিতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ভারতের পূর্ব উপকূল। এরপর ২০১৫-তে নেপাল ভূমিকম্পের সময় উত্তরবঙ্গেও তার আঁচ এসে লাগে।
সূত্র: Zeenews

মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১৬

রাজধানীতে কিলাকিলি চুলাচুলির পর এবার বাগযুদ্ধে ওলামা লীগের দুই অংশহেলালী অংশের বিরুদ্ধে ‘আনসারুল্লাহ’ সংশ্লিষ্টতার পাল্টা অভিযোগ

রাজধানীতে কিলাকিলি চুলাচুলির পর এবার বাগযুদ্ধে ওলামা লীগের দুই অংশহেলালী অংশের বিরুদ্ধে ‘আনসারুল্লাহ’ সংশ্লিষ্টতার পাল্টা অভিযোগ


রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রকাশ্যে সংঘর্ষ, কিলাকিলি ও চুলাচুলির পর এবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট সংগঠন আওয়ামী লীগ ওলামা লীগের বিবাদমান দুই গ্রুপের নেতারা এবার একে অপরের বিরুদ্ধে বাগযুদ্ধ নেমেছেন বেশ ঘটা করেই।
বুধবার ইলিয়াস হোসাইন বিন হেলালী ও দেলোয়ার হোসেন নেতৃত্বাধীন অংশটি আখতার হুসাইন বোখারী ও আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরীর নেতৃত্বাধীন দলের আরেক অংশ বিরুদ্ধে জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনে।
এর একদিনের মাথায় বৃহস্পতিবার আখতার হুসাইন বোখারী ও আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরীর নেতৃত্বাধীন অংশটি ইলিয়াস হোসাইন বিন হেলালী ও দেলোয়ার হোসেন নেতৃত্বাধীন অংশটিকে রাজাকার আখ্যা দিয়ে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনলো।
এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, “হেলালী আমাদের আনসারুল্লাহ বলায় প্রমাণিত হয়েছে সে নিজে আনসারুল্লাহর সদস্য। কারণ আনসারুল্লাহর সদস্যই কেবল আনসারুল্লাহর সদস্যকে চিনতে পারে। সে যদি আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য না হয়, তাহলে চিনল কীভাবে?”
“তাই তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার আনসারুল্লাহ জঙ্গি কানেকশন বের হয়ে আসবে।”
বাগেরহাটের হেলালীর বাবা একাত্তরে ‘রাজাকার’ ছিলেন বলেও দাবি করেছে বোখারী ও শরীয়তপুরী নেতৃত্বাধীন অংশ।
হেলালী নিজেদের ওলামা লীগের মূল ধারা দাবি করলেও বোখারী ও শরীয়তপুরী বলছেন, তারাই মূল ধারা।
“আইএস জঙ্গিসহ জামায়াত-যুদ্ধাপরাধী মৌলবাদীদের নিষিদ্ধের দাবিতে যতগুলো মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন আমরা করেছি, ওলামা লীগ দাবিকারী হেলালী তো তা করেনি।”
হেফাজত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বোখারী ও শরীয়তপুরী বলেন, হেফাজতের আন্দোলনের সময় তারাই প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের নেতৃত্বে মাঠে ছিলেন।
“তখন হেলালী কোথায় ছিল? সে তো এসব মিটিংয়ে, কর্মসূচিতে ছিল না। বরং সে-ই হেফাজতের সাথে আঁতাত করায় এসব কর্মসূচিতে হাজির হয়নি।”
“ট্রাক ড্রাইভার ও কিছু হেলপার, হাইজ্যাকার, পকেটমারকে নিয়ে কমিটি ঘোষণা করে সে এখন ওলামা লীগের স্বঘোষিত সভাপতি দাবি করে।”
ওলামা লীগের নামে এই দুই অংশ কাজ করলেও এই সংগঠনটি আওয়ামী লীগের স্বীকৃত সহযোগী সংগঠন নয়। তবে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যানার নিয়ে এই সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের অংশ নিতে দেখা যায়।
বিবদমান এই দুটি পক্ষ কয়েকদিন আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে মারামারিতে জড়ায়।
ওই মারামারির জন্য হেলালী নেতৃত্বাধীন অংশকে দায়ী করে বোখারী ও শরীয়তপুরী নেতৃত্বাধীন অংশ বলছে, ওই হামলার জন্য তারা শাহবাগ থানায় মামলা করেছেন। আমারদেশ।
জাকির নায়েকের পক্ষে তারিক জামিলের চ্যালেঞ্জ

জাকির নায়েকের পক্ষে তারিক জামিলের চ্যালেঞ্জ


জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে উস্কানি দেয়ার সাম্প্রতিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার পক্ষে নিজের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন তাবলিগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বি বিশ্বখ্যাত দায়ী মাওলানা তারিক জামিল। তিনি বলেন, ‘আমরা জাকির নায়েককে প্রায় এক দশক ধরে শুনছি। এবং আমি কখনো কোনো বক্তৃতায় তাকে সহিংসতা উস্কানি দিতে বা ঘৃণা ছড়াতে দেখিনি।’
১০ জুলাই নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
তারিক জামিল বলেন, ‘বরং তিনি সব সময় যে কোনো ধর্মের বিরুদ্ধেই সব ধরণের সহিংসতার বিরোধিতা করেছেন।
জাকির নায়েক সত্যের পক্ষে আছেন উল্লেখ করে এই প্রখ্যাত আলেম বলেন, ‘তিনি সত্যের পক্ষে আছেন তাই আমরাও তার পক্ষে আছি।’
কুচক্রীদের প্রতি কথিত সন্ত্রাসবাদে উস্কানি দেয়ার অভিযোগের পক্ষে একটা স্পষ্ট প্রমাণ হাজির করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তারিক জামিল বলেন, আমি ১১০% নিশ্চিত আপনারা এই বানোয়াট অভিযোগের পক্ষে একটা প্রমাণও আনতে পারবেন না।
লিংক: https://facebook.com/mtariqjameel/photos/a.553548061356460.1073741828.55354type=3
রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা নিহত

রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা নিহত


দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে রাজধানীর গাবতলীতে দায়িত্ব পালন অবস্থায় পুলিশের একজন এএসআই নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম ইব্রাহিম মোল্লা (৩৫)। তিনি দারুস সালাম থানার এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত রাত পৌনে ৯টায় পুলিশের চেকপোস্ট তল্লাশির সময় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। হামলাকারী একজনকে গুরুতর আহতাবস্থায় আটক করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দারুস সালাম থানার ওসি (তদন্ত) ফারুকুজ্জামান জানান, গত রাতে দারুস সালাম থানার এএসআই ইব্রাহিমের নেতৃত্বে চারজন পুলিশ ও পাঁচজন আনসার সদস্য গাবতলী বাস টার্মিনালের উল্টো দিকের পর্বতা সিনেমা হলের সামনে একটি চেকপোস্ট বসায়। এ সময় তারা সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাবতলী ব্রিজের দিক থেকে দুই যুবক তাদের দিকে হেঁটে আসছিলেন। ওই যুবকদের গতিবিধি ও তাদের ব্যাগ দু’টি পুলিশের সন্দেহ হয়। এ জন্য পুলিশ তাদের চেকপোস্টে দাঁড়াতে বলেন। তারা দাঁড়ালে এএসআই ইব্রাহিম তাদের ব্যাগ তল্লাশি করা হবে বলে সহযোগিতা চান। প্রথমে ওই যুবকরা তাদের দেহ ও ব্যাগ তল্লাশি করতে দিলে পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। এমন সময় তাদের মধ্যে থেকে একজন ব্যাগ থেকে ধারালো ছুরি বের করে ইব্রাহিম মোল্লাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। গুরুতর অবস্থায় ইব্রাহিম মোল্লা চিকৎকার করলে সহকর্মীরা ছুটে আসেন। ঠিক ওই সময় হামলাকারীরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পথচারীদের সহযোগিতায় পুলিশ তাদের মধ্যে থেকে একজন আটক করে। উত্তেজিত জনতা তাকে গণপিটুনি দিলে ওই যুবকও গুরুতর আহত হয়। পরে দু’জনকেই উদ্ধার করে দ্রুত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেয়া হলে রাত পৌনে ১০টায় ইব্রাহিম মোল্লার মৃত্যু হয়। হামলাকারীর অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তার নাম সোহেল (২৫) বলে জানা গেছে। তবে অসুস্থ থাকায় এ মুহূর্তে তার কাছ থেকে পরিচয় বা কোনো তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।
অপর একটি সূত্র জানায়, দুর্বৃত্তরা আমিনবাজারের দিক থেকে মোটরসাইকেলে করে ঢাকায় প্রবেশ করছিল। মোটরসাইকেলে তিনজন যুবক ছিল। পুলিশ তাদের তল্লাশির সিগন্যাল দিলে তারা দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় এএসআই ইব্রাহিম তল্লাশির চেষ্টা করতেই তাদের মধ্যে একজন ছুরি বের করে ইব্রাহিমকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। দারুস সালাম থানার এসআই হাবিবুর রহমান জানান, নিহত ইব্রাহিম মোল্লার গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের কচুয়ায়। তার বাবার নাম আব্দুস সাত্তার মোল্লা।
দারুস সালাম থানার ওসি সেলিমুজ্জামান জানান, এ ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে ইতোমধ্যে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন এরিয়াসহ বিভিন্ন পুলিশ স্টেশনে মেসেজ পাঠানো হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
কোচিং সেন্টারে আটকে রেখে দিনভর ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, আটক চবি ছাত্র

কোচিং সেন্টারে আটকে রেখে দিনভর ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, আটক চবি ছাত্র


ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে কোচিং সেন্টারের একটি কক্ষে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি)র এক ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে মো. মিজানুর রহমান (২২) নামের ঐ ছাত্রকে গতকাল রোববার রাতেই গ্রেফতার করে পুলিশ ।
আজ সোমবার তাকে আদালতে পাঠিয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত মিজানুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ও বায়েজিদ থানাধীন মোহাম্মদনগর এলাকার আবদুল মোনাফের ছেলে।
বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন ওই ছাত্রীর মা।
তিনি জানান, মিজানুরের বাবা প্রবাসী। তার মা একটি কোচিং সেন্টারের পরিচালক । মায়ের কোচিং সেন্টারেই পড়াশোনা করত ধর্ষণের শিকার ছাত্রীটি। কোচিং সেন্টারের পড়ার সুবাদে শিক্ষিকার বাসায় ছাত্রীটির যাতায়াত ছিল। সেই সুবাদে মিজানুরের সঙ্গে পরিচয় ছিল।
ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর জবানবন্দীর বরাত দিয়ে ওসি মোহাম্মদ মহসিন সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, গতকাল রোববার দুপুর একটার দিকে ঐ ছাত্রী শিক্ষিকার কাছে পড়তে গেলে বাসায় ঐ শিক্ষিকা না থাকার সুবাদে দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বাসায় কোচিং সেন্টারের একটি ঘরে আটকে রেখে মিজানুর ওই ছাত্রীকে কয়েকবার ধর্ষণ করে। এবং কাউকে এসব কথা জানালে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে এক বান্ধবীর বাসায় রেখে যায় তাকে।
এরপর গুরুতর অসুস্থ্য অবস্থায় ঐ বান্ধবীকে সাথে নিয়ে বাসায় ফিরে ছাত্রীটি তার মাকে সবকিছু খুলে বলে। সে রাতেই রাতে মা বাদি হয়ে অভিযোগ দায়ের করলে অভিযান চালিয়ে মিজানুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বাবাকে কুপিয়ে জখম, ভাইকে বেঁধে রেখে মাদরাসা ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ….

বাবাকে কুপিয়ে জখম, ভাইকে বেঁধে রেখে মাদরাসা ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ….


ভোলা: চরফ্যাশনে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় বাবাকে কুপিয়ে জখম করে মাদরাসা ছাত্রীকে মেয়ে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মিজান নামে এক যুবককে জেলে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
এব্যাপারে ওই ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে রোববার চরফ্যাশন থানায় মামলা দায়ের করে। পরে পুলিশ মিজানকে গ্রেপ্তার করে সোমবার (১১ জুলাই) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণে বাদি অভিযোগ করেন, চরফ্যাশন পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের ইয়াছিন বাড়ির ছেলে রিকশা চালক মিজান তার মাদরাসায় পড়ুয়া মেয়েকে (১৫) প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় সে অজ্ঞাত ৩/৪ জন যুবককে নিয়ে গত ৩ জুলাই রাত ১টার সময় বাড়ির রান্না ঘরের টিন কেটে ঘরে ডুকে।
ওই সময় তিনি টের পেয়ে মিজানকে হাতে নাতে ধরে ফেললে তারা তাকে কুপিয়ে জখম করে এবং তার ছেলেকে বেঁধে রাখে। একপর্যায়ে মিজান তার মেয়েকে ঘরের পিছনের বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। যাবার সময় আসামিরা স্বর্ণালংকার ও মোবাইল সেটটি নিয়ে যায়। পরে স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন, চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১৬

সন্ত্রাস দমনে বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি সহায়তা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

সন্ত্রাস দমনে বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি সহায়তা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র


সন্ত্রাস দমনে সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশকে বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র বিভাগের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী সচিব নিশা দেশাই বিসওয়াল এ আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রবিবার ঢাকা সফরে এসেছেন নিশা দেশাই। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সে সময় এ আগ্রহের কথা জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস জানায়, রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট, পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী সচিব নিশা দেশাই বিসওয়াল এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর উপসহকারী সচিব মনপ্রীত আনন্দ রবিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করেন।
দূতাবাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিশা বিসওয়াল বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি এবং আহত ও উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের বাংলাদেশি অংশীদারদের শোকের ভাগ নিয়েছি। বাংলাদেশের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অটুট থাকবে।’
দূতাবাস জানায়, নিশা বিসওয়াল সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের সক্ষমতা তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞ সহায়তার প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদের যে বৈশ্বিক হুমকি তা মোকাবিলায় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
বৈঠক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক বিকেলে সাংবাদিকদের বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রসচিব নিশা দেশাই দুই দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছেন। আজ সকালে তিনি আমাদের ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তাঁরা সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন এবং এ সময়ে বাংলাদেশ, বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। কিভাবে এ সমস্যার উত্তরণ ঘটানো যায় সে ব্যাপারে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।’
পররাষ্ট্রসচিব জানান, নিশা দেশাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন।
সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার যৌথ তদন্ত ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযানবিষয়ক আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রসচিব আরো বলেন, ‘কারিগরি সহায়তার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ নিয়ে আগেও আলোচনা হয়েছে। তাঁদের বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশকে সাহায্য করে যাচ্ছে। সে বিষয়ে সহায়তা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যৌথ অভিযানের মতো কোনো বিষয় আলোচনায় আসেনি।’
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি গত সপ্তাহে টেলিফোন আলাপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গুলশান হামলার তদন্তে এফবিআইয়ের সহযোগিতার যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন সে আলোচনায় অগ্রগতি আছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘তাঁরা বিভিন্ন পর্যায়ে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছেন। সেটি নিয়েই আলোচনা আজ শুরু হলো। কারিগরি সহযোগিতার আওতায় কিভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, বিভিন্ন পন্থা বের করা যায় সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
গুলশানে হামলার ঘটনার তদন্তের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো দল আসছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘এ ব্যাপারে কোনো আলোচনা হয়নি।’ বিদেশি সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো দেশ সহযোগিতা করতে চাইলে সে ব্যাপারে স্বভাবতই আমাদের সম্মতি আছে। এখন যা দরকার তা হলো সহযোগিতার পদ্ধতি বের করা।’
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, চলতি মাসের শেষ দিকে নিশা বিসওয়ালের ঢাকায় আসার কথা ছিল। গুলশানের সন্ত্রাসী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর সফর এগিয়ে আনা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নিশা বিসওয়াল সন্ত্রাস ও সহিংস উগ্রবাদ মোকাবিলার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করতে ঢাকায় এসেছেন।
নিশা-শ্রিংলা বৈঠক : এদিকে নিশা দেশাই বিসওয়াল গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। জানা গেছে, নিশা বিসওয়ালের অনুরোধে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বাসায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সন্ত্রাসবিরোধী উদ্যোগ ও বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে সমর্থন দিতে আগ্রহী। ভারতও বাংলাদেশ সরকারের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইকে সমর্থন দিয়ে আসছে। ভারত মনে করে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও এমন অবস্থান নেওয়া উচিত। ভারতীয় হাইকমিশনার গতকাল বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রসচিব আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশ সরকারের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী উদ্যোগকে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, গত মে মাসে নিশা বিসওয়াল ঢাকা সফরের সময়ও হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেখানেও এ দেশে উগ্রবাদ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। পরে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ মোকাবিলা ইস্যুতে বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একই অবস্থানে আছে। তবে একই অবস্থানের অর্থ যৌথভাবে সন্ত্রাস মোকাবিলা নয়—এমন আভাস দিয়েছে কূটনৈতিক সূত্রগুলো।
আজ সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে নিশার সাক্ষাতের কথা রয়েছে। আজই তিনি শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন।
জঙ্গিবাদ নির্মূলে প্রয়োজনে অতি কঠোর অবস্থান

জঙ্গিবাদ নির্মূলে প্রয়োজনে অতি কঠোর অবস্থান


জঙ্গি দমনে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার এই দানবকে নির্মূল করতে অতি কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ নির্মূলে প্রয়োজনে আমরা অতি কঠোর অবস্থান নেব। আমাদের অবশ্যই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মনুষ্য দানবদের বিরুদ্ধেও লড়াই করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী গতকাল রবিবার তাঁর কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলো পর্যালোচনাকালে জঙ্গি দমনে সরকারের কঠোরতর অবস্থান নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, তিনি জনগণকে আস্থায় নিয়ে জনগণের সঙ্গে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। এ জন্য সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ ছড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করা যাবে না এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও বন্ধ করা যাবে না। কারণ, জনগণ সব সময় এই দুই দানবের বিরুদ্ধে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের ব্যাপারে সব সময় সজাগ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কে আমাদের জনগণকে সতর্ক করতে হবে এবং সামাজিক এই দুষ্কর্মকে মোকাবিলার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।’ তিনি সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই অপরাধীদের বিরুদ্ধে মসজিদ থেকে নিয়মিত বক্তব্য দিতে হবে। গুলশানের রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু দেশে এখন এ ধরনের হামলা হচ্ছে। এটা এখন বৈশ্বিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, জাপান, ভারত ও অন্যান্য দেশে জঙ্গি হামলা হওয়ার কথা উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যখন প্রতিটি ক্ষেত্রে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিশ্ব পরিমণ্ডলে রোল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে তখনই দেশের ভাবমূর্তি নস্যাৎ করতে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। তিনি বলেন, কতিপয় ব্যক্তি ধর্মীয় চর্চার পথ থেকে দূরে সরে গিয়ে মানুষ হত্যা করছে। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ভাবতে পারছি না যে কোনো শিক্ষিত লোক ধর্মান্ধ হতে পারে।’
কোনো শিক্ষার্থী নিখোঁজ হলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আরো বেশি আওয়াজ তুলতে হবে। দেশে জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক শিক্ষকদের খুঁজে বের করারও আহ্বান জানান তিনি।
গুলশানে রেস্তোরাঁয় সফল কমান্ডো অভিযান পরিচালনার জন্য সরকারের প্রশংসা না করা কতিপয় গণমাধ্যমের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা বরং এ ক্ষেত্রে সরকারের নিন্দা করছে। তিনি বলেন, সেনা, নৌ ও বিমান এবং পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত কমান্ডোরা হলি আর্টিজান বেকারিতে ক্ষিপ্রতার সঙ্গে সফল অভিযান পরিচালনা করে এবং বিদেশি নাগরিকসহ ১৩ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে। সফল কমান্ডো অভিযান পরিচালনার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান।
শেখ হাসিনা মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা করে বলেন, যেসব লোক স্বেচ্ছায় নিখোঁজ হয়েছে তাদের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য আমলে নিচ্ছে না তারা।
প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষকে উদার মনোভাবাপন্ন উল্লেখ করে বলেন, সব ধর্মের মানুষ এ দেশে সম্প্রীতির পরিবেশে বসবাস করে। তিনি বলেন, গুলশানে রেস্তোরাঁ ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহের কাছে এশা ও তারাবির নামাজ এবং ঈদের নামাজ বাদ দিয়ে যারা এ ধরনের নির্মম হামলা চালায় তারা কেমন মানুষ?
শেখ হাসিনা বলেন, এ দেশে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের বীজ বপন করেছে বিএনপি-জামায়াত। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধীদলীয় নেতা হওয়া সত্ত্বেও এহেন নির্মম হামলা চালানো হয়েছে আমার ওপর।’ তিনি আরো বলেন, ‘তাদের অপশাসনকালে তারা দেশের ৫০০ স্থানে একযোগে বোমা হামলা চালানোর পাশাপাশি তারা শাহ এ এম এস কিবরিয়া ও আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল।
শেখ হাসিনা দেশের বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে সরকারের নানা সাফল্য তুলে ধরে বলেন, সরকারের নীতি ও দৃঢ় সংকল্পের কারণে এসব সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী পিএমওর আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখ্য সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।
পুলিশ-র্যাবের শীর্ষস্থানীয় কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক : এদিকে জঙ্গিবাদ মোকাবিলা নিয়ে গতকাল দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধানমন্ত্রীর কয়েকজন উপদেষ্টা, পুলিশ ও র্যাবের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে উপস্থিত থাকা পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে বলেন, পলাতক জঙ্গি ও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। পলাতক জঙ্গিদের পাকড়াও করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যারা তাদের লালন-পালন করে তাদের চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া আরেকটি বিশেষ অভিযান চালানোর চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।