বিশ্ব লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিশ্ব লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৬ জুলাই, ২০১৬

বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জাকির নায়েকের

বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জাকির নায়েকের


কখনো সন্ত্রাসকে উৎসাহিত করেননি দাবি করে বিতর্কিত ভারতীয় ইসলামী চিন্তাবিদ ও বক্তা ডা. জাকির নায়েক বলেছেন, গত ২৫ বছর ধরে জনসম্মুখে বক্তৃতা দিচ্ছি। তবে কখনো সন্ত্রাসকে উৎসাহিত করিনি।
আজ শুক্রবার ভারতীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌদি আরবের মদিনা থেকে স্কাইপের মাধ্যমে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
সম্মেলনের শুরুতেই ফ্রান্সের নিস শহরে বাস্তিল দিবসের অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলায় কমপক্ষে ৮০ জন নিহত হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান জাকির নায়েক।
তিনি বলেন, জিহাদের নামে আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা ইসলামে দ্বিতীয় বড় পাপ। এটা ইসলামে নিষিদ্ধ, হারাম।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানে সন্ত্রাসী হামলায় অংশগ্রহণকারীরা জাকির নায়েকের ভাষণ থেকে উদ্বুদ্ধ হয়। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জাকির নায়েক বলেন, আমার ভাষণের কোন অংশটা বাংলাদেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে, সেই পুরো অনুষ্ঠানটি দেখানো হোক।
কোনো ভাষণেই সন্ত্রাসের পক্ষে কথা বলেননি দাবি করে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ‘ডক্টরড টেপ’ অর্থাৎ কাটছাঁট করা ভিডিও দেখেই আমার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার অভিযোগ করছে সংবাদমাধ্যম। কিন্তু আমি কখনো সন্ত্রাসকে সমর্থন করিনি।
এই ইসলামী চিন্তাবিদ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে এরকম ছোট কিছু ভিডিও ক্লিপ দেখেই এ ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে। কয়েকটা ভিডিও ক্লিপে আবার আমার ভাষণের একটি দুটি বাক্য অপ্রাসঙ্গিকভাবে তুলে নিয়ে প্রচার করা হচ্ছে।
চ্যালেঞ্জ করে জাকির নায়েক বলেন, পিস টিভিতে দেওয়া আমার পুরো ভাষণগুলো কেউ দেখিয়ে বলুক কোন অংশটা ভারত বা বাংলাদেশের জন্য অশান্তি তৈরি করতে পারে?
তথাকথিত ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সম্প্রতি ভারতে আটক এক যুবকের বাবা অভিযোগ করেছেন, তার ছেলে জাকির নায়েকের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করেছিল। এ ছাড়া আইএসের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ভারতে আরও কয়েকজনের পরিবার অভিযোগ করেছে, তারা জাকির নায়েকের বক্তব্য দেখেই সন্ত্রাসী কার্যকলাপে উদ্বুদ্ধ হয়।
এই প্রসঙ্গে এই ইসলামী বক্তা বলেন, আমি প্রতি মাসে কয়েক হাজার মানুষের সঙ্গে দেখা করি। তারা আমার সঙ্গে ছবিও তোলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র হাতে গোনা কয়েকজনকেই আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি।
ভারতে তার পিস টিভি চ্যানেলটি দেখানোর অনুমতি কেন দেয়নি সরকার? এ প্রশ্নের জবাবে জাকির নায়েক বলেন, কেন অনুমতি দেওয়া হয়নি। এর একটি কারণ আমি আন্দাজ করতে পারি। পিস টিভি একটা মুসলিম চ্যানেল, এটি ইসলামি চ্যানেল। সেজন্যই অনুমতি দেয়নি ভারত সরকার।
মুম্বাই পুলিশ যে তদন্ত চালাচ্ছে, সেই তদন্তের মুখোমুখি হতেও রাজী জাকির নায়েক। তবে ওই তদন্তের কথা তিনি শুধু সংবাদমাধ্যমেই জেনেছেন। সরকারি পর্যায়ে কেউ তার সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করেনি বলে জানান তিনি।

বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০১৬

৯.০ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা বাংলাদেশ ও ভারতে!

৯.০ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা বাংলাদেশ ও ভারতে!


যে কোনও সময় ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠতে পারে বাংলাদেশ ও ভারত। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা হতে পারে ৯.০!
এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ভূ-তাত্ত্বিক এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই ভয়াবহ তথ্য। বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, এত বড় মাপের ভূমিকম্পে বাংলাদেশ ও গোটা পূর্ব ভারত 'ধ্বংসস্তূপে' পরিণত হবে। বিশেষ করে শহুরে এলাকায় এই ভূমিকম্পের প্রভাব পড়বে সবচেয়ে বেশি। নেচার জার্নাল জিওসায়েন্সে সম্প্রতি সমীক্ষাটি প্রকাশিত হয়েছে।
২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে ভূমিকম্প ও তার থেকে তৈরি ভূমিকম্পে ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ভয়াবহ সেই সুনামিতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ভারতের পূর্ব উপকূল। এরপর ২০১৫-তে নেপাল ভূমিকম্পের সময় উত্তরবঙ্গেও তার আঁচ এসে লাগে।
সূত্র: Zeenews
তদন্তে জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে কোন সন্ত্রাসবাদী বক্তব্য খুঁজে পায়নি মহারাষ্ট্র পুলিশ

তদন্তে জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে কোন সন্ত্রাসবাদী বক্তব্য খুঁজে পায়নি মহারাষ্ট্র পুলিশ


জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে কোন সন্ত্রাসবাদী বক্তব্য খুঁজে পায়নি মহারাষ্ট্র পুলিশ। ভারতের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্যা হিন্দু এই খবর জানিয়েছে ।তদন্ত কর্তৃপক্ষ ১০০ টির বেশি ইউটিউব লেকচার শুনে এই রিপোর্ট দেয় । তারা জানায় , তার বিরুদ্ধে কোনসন্ত্রাসবাদী বক্তব্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার টিভি চ্যানেল প্রচারেও কোন বাধা নেই।তাকে কোন প্রকার গ্রেপ্তার বা হয়রানি করতেও নিষেধাগ্গা আরোপ করা হয়েছে ।
জাকির নায়েককেও জঙ্গি স্কলার বানাতে গিয়ে উল্টো আইন কর্তৃক স্বীকৃত জঙ্গি বিরোধী ইসলামিক স্কলার বানিয়ে দেয়া হলো!! একইসাথে বিশ্ব মিডিয়ায় জাকির নায়েকের ফ্রি বিজ্ঞাপনও হয়ে গেল।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে ..জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে পিস টিভি খুলে দেয়া হবে কখন??

মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১৬

জাকির নায়েককে নিয়ে ফেসবুকে বিতর্ক

জাকির নায়েককে নিয়ে ফেসবুকে বিতর্ক


অনেকের কাছেই এখন বেশ আলোচিত নাম জাকির নায়েক। বাংলাদেশে যারা ফেসবুক ব্যবহার করছেন তাদের অনেকের কাছেই এখন আলোচনার বিষয় তিনি। গত রোববার সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জাকির নায়েক পরিচালিত 'পিস টিভি’র' সম্প্রচার বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা হবে। এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাকির নায়েক বিষয়ে আলোচনা জোরদার হয়েছে।
অনেকের কাছেই এখন বেশ আলোচিত নাম জাকির নায়েক। বাংলাদেশে যারা ফেসবুক ব্যবহার করছেন তাদের অনেকের কাছেই এখন আলোচনার বিষয় তিনি। গত রোববার সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জাকির নায়েক পরিচালিত 'পিস টিভি’র' সম্প্রচার বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা হবে।
এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাকির নায়েক বিষয়ে আলোচনা জোরদার হয়েছে।
‘পিস টিভি’র’ সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধ করার জন্য তথ্য মন্ত্রণালয় সোমবার আদেশ জারী করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাকির নায়েকের ছবি ব্যবহার করে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক – দু’ধরণের মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। অনেকে জাকির নায়েকের বিভিন্ন ভিডিও শেয়ার করেছেন ফেসবুকে।
ফেসবুকে জাকির নায়েককে নিয়ে আলোচনার একটি বড় কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে মি: নাইক একটি পরিচিত নাম। জাকির নায়েকের ফেসবুক ভেরিফাইড পাতায় দেখা যাচ্ছে সেখানে লাইকের সংখ্যা প্রায় এক কোটি ৪২ লাখ। সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় মি: নায়েক দাবী করেছেন তার ফেসবুক পাতায় যারা লাইক দিয়েছেন তাদের মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ বাংলাদেশ থেকে।
বাংলাদেশে সরকার এবং ইসলামী চিন্তাবিদদের একটি অংশ মনে করছে জাকির নায়েকের কিছু বক্তব্য সাধারণ মানুষকে জঙ্গিবাদী তৎপরতায় উস্কানি দেয়।সেজন্যই পিস টিভি বন্ধ করা হয়েছে। মি: নায়েক তার বিরুদ্ধ আনা এসব অভিযোগ সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় অস্বীকার করেছেন। জাকির নায়েককে ঘিরে ফেসবুকে আলোচনা কিংবা সমালোচনা যাই থাকুক না কেন, তার পরিচালিত ‘পিস টিভি’ যে অনেকের নজরে এসেছে সেটি নিষিদ্ধ করার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে।
জাকির নায়েকের পিস টিভি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করার জন্য অনেক আগে থেকেই ইসলামী চিন্তাবিদদের একটি অংশ সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছিল।
সুত্রঃ বিবিসি বাংলা
আন্তর্জাতিক মুসলমান প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে নমনীয় কহচ্ছেন ট্রাম্প!

আন্তর্জাতিক মুসলমান প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে নমনীয় কহচ্ছেন ট্রাম্প!


যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের প্রবেশের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়ে নিজের অবস্থান কিছুটা নমনীয় করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
লন্ডনের নবনির্বাচিত মেয়র সাদিক খানের প্রসঙ্গ টেনে বার্তা সংস্থা ফক্স নিউজের করা এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প তাঁর অবস্থানের কথা জানান।
ট্রাম্প বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি শুধু একটি প্রস্তাব ছিল।’
বিবিসির খবরে বলা হয়, লন্ডনের মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর আশঙ্কা প্রকাশ করে সাদিক খান বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে তিনি যুক্তরাজ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করতে পারবেন না। কারণ, তিনি একজন মুসলিম।
এ কথা জানার পর ট্রাম্প বলেছেন, তিনি সাদিক খানের জন্য ব্যতিক্রম ব্যবস্থা করবেন। অবশ্য ট্রাম্পের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন লন্ডনের নতুন মেয়র।
সাদিক খান মনে করেন, রিপাবলিকান পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে থাকা মার্কিন এই ব্যবসায়ীর সিদ্ধান্তগুলো যুক্তিসংগত নয় এবং এটি যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রকে আরো অনিরাপদ করে দেবে।
গত বছর প্যারিসে বন্দুকধারীদের চালানো হামলায় ১৩০ জন নিহত হওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে দেশটিতে মুসলমানদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করবেন। এর পর থেকেই এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।
এই প্রস্তাবে খোদ যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন ট্রাম্প। তবে এখনো নিজের প্রস্তাবের পক্ষে অনড় অবস্থানে আছেন মার্কিন এই ব্যবসায়ী। তিনি বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।
স্থানীয় সময় বুধবার ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘এটা একটা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা। এটা তো এখনো জারি করা হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা বুঝতে না পারছি যে কী হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই ব্যবস্থা জারি থাকতে |