বিনোদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিনোদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

নায়লা নাইম এই সময়ের সমালোচিত মডেল

নায়লা নাইম এই সময়ের সমালোচিত মডেল

এই সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত মডেল নায়লা নাইম। খুব অল্প সময়ে স্বল্পবসনে নিজের নান্দনিক উপস্থাপনের মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছেন সবচেয়ে আলোচিত এবং জনপ্রিয়। কিন্তু সমালোচনাও তাকে কম সইতে হয়নি। নগ্নতা ও দেশিয় সংস্কৃতির পরিপন্থি হিসেবে নায়লার অবস্থানকে বিতর্কিত বলে উল্লেখ করেছেন অনেকেই। মূলত তার জন্যপ্রিয়তার কারণ হল নিজেকে খোলমেলা উপস্থাপন। 
সম্প্রতি এসব সমালোচনার জবাব দিলেন নায়লা। ফেসবুকে সামলোচকদের ভণ্ডামির মাত্রা বেড়ে গেছে উল্লেখ করে এই রিপোর্ট লেখার ছয়ঘন্টা আগে এক স্ট্যাটাসে তিনি পাল্টা সমালোচনা ছাড়েন।
নায়লা নাইম বলেন, ‘নায়লা নাইম ছবি আপলোড দিলে (প্রকাশ করলে) আমাদের দেশ, সংস্কৃতি এবং ধর্মের কথা মনে পড়ে। বাকি সময় আমরা ‘বেবি ডল’ (সানি লিওন অভিনীত রাগীনি এম এম এস টু সিনেমার গান) দেখি’।
উল্লেখ্য, পাঁচ বছর ধরেই মডেলিং জগতের সঙ্গে যুক্ত আছেন ব্যক্তিগত জীবনে দন্তচিকিৎসক নায়লা নাঈম। তবে তিনি আলোচনায় আসেন ২০১৩ সালে গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে।
ফেসবুকে নিজের খোলামেলা অবস্থান প্রসঙ্গে নায়লা নাইম মিডিয়াকে সম্প্রতি বলেন, ‘ছবিগুলো দেখে অনেকে কিন্তু প্রশংসা করছে। তবে সমালোচনাও যে করছে না, তা নয়। আমার কথা হচ্ছে দেশের বাইরের মডেলরা যদি নিজেদের সৌন্দর্যটাকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারেন, আমরা কেন পারব না। তা ছাড়া আমি ছবিগুলোকে মোটেও খারাপভাবে দেখছি না’।
এ প্রসঙ্গে কথা হয় দেশের জেষ্ঠ মডেল বুলবুল টুম্পার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এটা আসলে যার যার অভিরুচির ব্যাপার। নায়লা যদি এমনভাবে কাজ করে হ্যাপি হয়, তবে সে এমনটাই করবে। উন্নত বিশ্বের তুলনায় এটা কোন বিষয়ই না। তবে যেহেতু আমাদের দেশ একটা ইসলামিক কান্ট্রি সে হিসেবে হয়তো একটু অন্যভাবে দেখে কেউ কেউ ।’
তবে, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশের মডেলিং এর বর্তমান অবস্থান অন্যান্য যে কোন সময়ের চেয়ে কিছুটা হলেও এগিয়েছে। কিন্তু এখনো আমাদের দেশে কোন যথাযোগ্য মডেলিং স্কুল কিংবা এজেন্সি না দাঁড়ানোর ফলে মডেংলিংকে পেশা হিসেবে নিতে বেগ পেতে হচ্ছে মডেল হতে আসা নারীদের। পুঁজিবাদের এই যুগে পণ্যের মডেল একটি অপরিহার্য বিষয় হলেও এইখাতে পুঁজিপতিদের নজর খুব একটা দেখা যায়নি। কিছু কিছু ব্যাক্তি উদ্যোগে মডেলিং স্কুলই মডেল হতে আসা তরুণীদের ভরসাস্থল হয়ে উঠছে। কিন্তু মডেলদের সামাজিক অবস্থান কি খুব একটা সুখকর? মডেলিং মানেই সমাজ বুঝছে বেশ্যাবৃত্তির আধুনিক সংস্করণ। জাতীয়তাবাদীরা বলছেন জাত গেলো, জাত গেলো…ধর্ম বলছে নাউজুবিল্লাহ!
একদিকে ধর্ম অন্যদিকে দেশিয় সংস্কৃতি কোথায় যাবেন আমাদের মডেলরা? এইসব প্রশ্ন বুকে নিয়ে যেসব সাহসী নারীরা মডেল হিসেবে কাজ করছেন তাদের পক্ষ থেকে নায়লা নাইম কি একটি বড় ধাক্কা দিলেন না সমাজের দেয়ালে? চোখের লজ্জা ভেঙ্গে দিলেন লক্ষ পুরুষের। নিজের রূপের কাছে কাঙ্গাল করে ছাড়লেন।
খুব কম সময়ে একক প্রচেষ্টায় মডেলিং এ নিজের স্বাতন্ত্র তৈরী ও আলোচিত হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে সম্ভবত উদাহরণ হয়ে থাকলেন নায়লা নাইম।
কিন্তু সমাজবদলের পথে সব মানুষই যে একা। নায়লা কি তা জানেন?

বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০১৬

হ্যাপিকে বদলে দিয়েছেন জাকির নায়েক

হ্যাপিকে বদলে দিয়েছেন জাকির নায়েক


‘জঙ্গিবাদে উৎসাহ যোগানোর’ অভিযোগে ভারত ভিত্তিক টিভি চ্যানেল পিস টিভির সম্প্রচার করেছে সরকার। বিষয়টি নিয়ে অন্তর্জাল দুনিয়ায় চলছে আলোচনার ঝড়। পিস টিভি ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন আলোচিত আলোচিত মডেল নাজনীন আক্তার হ্যাপী। তিনি অভিনয় ছেড়ে বেশ আগেই ধর্মে কর্মে নিজেকে মনোনিবেশ করেছেন। ধর্মে আগ্রহী হওয়ার পেছনে পিস টিভিরও নাকি বেশ ভূমিকা আছে।

ফেসবুকে জানিয়েছেন, ‘এই পিস টিভির উসিলায় আমি এবং আমার মত অনেক মানুষের জন্য দ্বীনের পথে চলার শুরুর ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছে, আলহামদুলিল্লাহ! নতুন প্রাক্টিসিংরা প্রথমে কিছুই বুঝে ওঠেনা এর জন্য বিশেষ করে প্রাথমিক অবস্থায় পিস টিভি ও ড.জাকির নায়েক আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, আমি প্রথম অবস্থায় সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিলাম এই পিস টিভির ড.জাকির নায়েক ও এই পিস টিভিতে কয়েকজন বড় আলেমের আলোচনা দেখে! আল্লাহ যদি কোনো বান্দাকে পছন্দ না করেন তাহলে তাকে দিয়ে কখনোই দ্বীনের কাজ করাবেন না। ড.জাকির নায়েক নিঃসন্দেহে একজন ভাল দ্বীনের দ্বাঈ। ড.জাকির নায়েকের দাওয়াতের উসিলায় কত মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছে হিসাব নেই!’
উল্লেখ্য, বছরখানেক আগে একটি কাওমী মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছেন এ সাবেক মডেল ও অভিনেত্রী। তারপর থেকেই নিজেকে আমূল পাল্টে ফেলেন। রঙিন দুনিয়া থেকে ক্রমান্বয়ে নিজেকে গুটিয়ে নেন। সিনেমার আইটেম গানে নাচার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি নিজের কোন ছবিও ফেসবুকে পোস্ট করেন না। নিজের নামও বদলে ফেলেছেন। তার নতুন নাম ‘আমাতুল্লাহ’।
হ্যাঁ,এতটাই বড় হয়ে গিয়েছে কাজল-অজয়ের মেয়ে (ছবিতে)

হ্যাঁ,এতটাই বড় হয়ে গিয়েছে কাজল-অজয়ের মেয়ে (ছবিতে)


দেখতে দেখতে কেমন অজান্তেই সময় চলে যায়। কুছ কুছ হোতা হ্যায় ১৮ বছর পুরনো হয়ে গেল। কহো না প্যায়ার হ্যায়, সেটাও ১৬টা বছর। দিন এমনভাবেই কাটে। বয়সও এমনভাবেই বেড়ে যায়। অজান্তে, অলক্ষ্যে। নেট দুনিয়ায় এখন একটা জিনিস খুব ভাইরাল হয়। তা হল চোখের আড়ালে থাকা কোনও তারকা বা তাদের ছেলেমেয়েদের এখন কেমন দেখতে হয়েছে। ক দিন আগেই আমরাই দেখিয়েছিলাম বলিউডের বেশ কিছু তারকা অভিনেতা-অভিনেত্রীরা, যারা অনেক দিন থেকেই মিডিয়া থেকে দূরে, তাদের বর্তমান লুক। সেটা দারুণ ভাইরাল হয়েছিল।

আজ আবার হঠাত্ করে কাজল-অজয় দেবগনের মেয়ের ছবি নিয়ে চর্চা। হঠাত্ বলা ভুল হবে কাজল কন্যা ইনস্টাগ্রামে নিজের এক ছবি পোস্টের পরই তা ভাইরাল হয়।
কাজল-অজয়ের মেয়ের নাম ন্যাসা। বয়স ১৩। অজয় দেবগন মাঝেমাঝেই মেয়ের কথা বলেন। কাজলও অবশ্য আরও একধাপ এগিয়ে। 'দিলওয়ালে'-র প্রচারে গিয়ে কাজলই বলেছিলেন, ন্যাসা এই সিনেমায় কাজ করতে আমায় উত্সাহ দিয়েছে। অনেকেই কাজলকে প্রশ্ন করেন, 'ন্যাসা তো এত সুন্দর। ও কবে বলিউডে নামবে?'
কাজল জবাব না দিয়ে শুধু মুখটিপে হাসেন। তবে যেভাবে কাজল সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়ের ছবি পোস্ট করছেন তাতে অনেকের ধারণা মেয়েকে প্রমোট করতেই নাকি এমন কাজ করছেন। সেটা অবশ্যই ভবিষ্যতই বলবে।

মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১৬

নবাব সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রে অভিনয় করবেন ডি ক্যাপ্রিও

নবাব সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রে অভিনয় করবেন ডি ক্যাপ্রিও


অস্কার বিজয়ী জনপ্রিয় হলিউড অভিনেতা লিওনার্ডো ডি ক্যাপ্রিওকে এবার দেখা যাবে নবাব সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রে। ছবিটি পরিচালনা করবেন উপমহাদেশের বিখ্যাত চিত্রনির্মাতা রাজ চক্রবর্তী। আগামী বছরের মাঝামাঝি এই ছবির শুটিং শুরু হবে। টাইমস অফ আমেরিকার এক খবরে বলা হয়েছে, এই ছবিটি তৈরি করতে হলে বেশ বড় বাজেট প্রয়োজন তাই বাংলাদেশ-হলিউড যৌথ প্রযোজনায় এটি নির্মাণের ইচ্ছা পরিচালক রাজের।
ডি ক্যাপ্রিও জানান, ‘সিরাজউদ্দৌলা চরিত্রে অভিনয় করতে চায় না, পারলে এমন একজন অভিনেতার নাম বলুন ! হ্যাঁ আমিও চাই। ছবিটি নিয়ে মন্ত্রনালয়ের সঙ্গে শিগগিরই আলাপ করবো। সরকারী অনুদানে এই ছবিটি নির্মাণ হবে। চেষ্টা করবো ছবিটির থ্রিডি সংস্করণ রাখার। সবাই দোয়া করবেন।’
ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন ইরেশ জাকের। প্রথম আলু সাংবাদিককে তিনি জানান, কাজটা বেশ চ্যালেঞ্জিং। ইতিহাস থেকে হয়ত খুব বেশি জানতে পারিনি। আব্বুকে জিজ্ঞেস করে সিরাজ সাহেবের সম্পর্কে খুটিনাটি কিছু জেনেছি। চেষ্টা করছি তাঁর আরো অনেক পেছনের ইতিহাস খুঁজে আনার। তাহলে ছবিটা আরো সুন্দর হবে।
উল্লেখ্য যে, এর আগে নবাব সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন চিত্রনায়ক ও বাবার চরিত্রে অভিনয়কারী জনপ্রিয় মুখ আনোয়ার হোসেন।

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১৬

আমি জানি না, কীভাবে আমার মন্তব্য অন্যরা নেবে: শাহরুখ খান

আমি জানি না, কীভাবে আমার মন্তব্য অন্যরা নেবে: শাহরুখ খান


ঈদের দিন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার ঘটনা অন্যান্য অঙ্গনের মতো বলিউডেও আলোচনায় এসেছে। তবে এ ঘটনা নিয়ে বিশেষ কোনো মন্তব্য করতে নারাজ বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। তিনি বলেন, ‘আমি জানি না, কীভাবে আমার মন্তব্য অন্যরা নেবে।’ আজ সোমবার হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে এ কথা বলা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া হামলা সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শাহরুখ খান বলেন, ‘এখন আপাতত ঈদ উদ্যাপন করতে চাই। আমার কাছে এ বিষয়ে কিছু জানতে চাইবেন না। কারণ, আমি জানি না, আমার মন্তব্য আসলে কীভাবে নেওয়া হবে।’
বলিউড বাদশা বলেন, ‘গত বছর আমার জন্মদিনে আমি খুবই সাধারণ একটি কথা বলেছিলাম। কিন্তু এটা বিরাট এক ইস্যু হয়ে দাঁড়ায়। এ কারণে আমি আমার জন্মদিনও উদ্যাপন করতে পারিনি। এবার আমি কোনো বিতর্কে জড়াতে চাই না।’
শোলাকিয়ায় দেশের ঈদের সবচেয়ে বড় জামাতে জঙ্গি হামলায় চারজন নিহত হয়। এ হামলা সম্পর্কে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি বলিউড বাদশা। শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ কাটাতে চান বলে জানান তিনি।
সাংবাদিকদের বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলা প্রসঙ্গে মন্তব্য না করে অন্য প্রসঙ্গে চলে যান। তিনি ভারতে জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘আমি দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ ঈদের শুভেচ্ছা জানাই। তারা তাদের কাজ দিয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করুক। যেমনটা একজন অভিনেতা হিসেবে আমি করতে চেষ্টা করি। একইভাবে নভোচারী, সচিব, পুলিশ, ব্যবসায়ী—সবাই তাঁদের নিজ নিজ জায়গা থেকে আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, আমি এমনটাই প্রত্যাশা করি।’
অমিতাভ ছাড়া বলিউডে ষাটোর্ধ্ব অভিনেতাদের সুযোগ নেই : ড্যানি

অমিতাভ ছাড়া বলিউডে ষাটোর্ধ্ব অভিনেতাদের সুযোগ নেই : ড্যানি


৬০ বছর বয়স হয়ে গেলেই অমিতাভ বচ্চন ছাড়া বলিউডের আর কোনও অভিনেতা ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পাচ্ছেন না। তাঁদের ছোটখাটো চরিত্রে অভিনয় করতে বলা হচ্ছে। মনের মতো চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ না পেয়ে হতাশ হয়ে এমনই মন্তব্য করলেন অভিনেতা ড্যানি ডেনজঙ্গপা।
ড্যানি বলছেন, অনেক প্রভাবশালী কর্পোরেট হাউস থেকে তাঁর কাছে অভিনয়ের প্রস্তাব আসে। কিন্তু তিনি বিশেষ আগ্রহী হন না। কারণ, ছোট কোনও চরিত্রে তিনি অভিনয় করতে চান না। সেটা হলে তিনি চরিত্রাভিনেতা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যেতে পারেন। যা তিনি কোনও দিন চান না।
সাম্প্রতিককালে ‘বেবি’ ছবিতে অভিনয় করেছেন ড্যানি। এখন তিনি ‘কাবুলিওয়ালা’ ছবিতে কাজ করছেন। রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত এই গল্প নিয়ে বলিউডে এর আগেও ছবি হয়েছে। ১৯৬১ সালে কাবুলিওয়ালার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন বলরাজ সাহনি। তাঁর সঙ্গে অবশ্য নিজের কোনও তুলনাই করতে চান না ড্যানি। বলরাজকে নিজের থেকে অনেক এগিয়ে রেখে তাঁর বক্তব্য, তিনি নিজের মতো করে এই চরিত্রে অভিনয় করতে চান।
এফটিআইআই-এর ছাত্র দেব কাবুলিওয়ালার পরিচালক। তরুণ এই পরিচালকের কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়ে খুব খুশি ড্যানি। তিনি ‘খুদা গওয়া’ ছবিতে আফগানের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এই ছবিতে ফের আফগানিস্তান থেকে ভারতে ব্যবসা করতে আসা এক ব্যক্তির চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পাচ্ছেন। এই ছবি নিয়ে আশাবাদী ড্যানি। তাঁর আশা, কাবুলিওয়ালার চরিত্রে নিজের অভিনয় ক্ষমতা দেখানোর সুযোগ পাবেন।
 খলনায়ক হতে সালমানের আপত্তি

খলনায়ক হতে সালমানের আপত্তি


সিনেমার ‘দাবাং খান’ সালমান আজীবন ভক্তদের কাছে নায়কের আসনেই থাকতে চান। আর তাই নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করা থেকে বিরত থাকার ইচ্ছাই প্রকাশ করেছেন তিনি। হিন্দি সিনেমায় প্রায়শ’ই দেখা যায় যে, নায়ক যা করছেন- তার সবই ঠিক। অথচ খলনায়ক যা করছে তার সবই ভুল। এতে করে পর্দার সামনে থাকা দর্শকদের মনে খলনায়কের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া জন্মায় বলেই বিশ্বাস সালমানের। আর তিনি নিজে দর্শকদের সামনে একজন ‘ভাল মানুষ’-এর ইমেইজ রক্ষা করতে চান। এব্যপারে এক সাক্ষাৎকারে সালমান বলেন, “আমি খলনায়কের ধারণা একদমই পছন্দ করিনা। আমি দর্শকদের আনন্দ দিতে ভালোবাসি। আমি চাই দর্শক ঘরে ফেরার পথে একজন ভালো মানুষ হিসাবে আমাকে কল্পনা করুক।” সালমান তাঁর ক্যারিয়ারে অ্যাকশন-মাসালা ঘরানার সিনেমাতেই কাজ করেছেন বেশি। ‘দাবাং’ ‘ দাবাং-২’ ‘ওয়ান্টেড’ ‘এক থা টাইগার’-এর মতো সিনেমায় মারকুটে নায়কের চরিত্রে তিনি তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই সিনেমাগুলো সালমানকে এনে দিয়েছে ‘অ্যাকশন হিরো’র খেতাব। সালমান বললেন, তরুণদের কাছে এই পরিচয়েই আজীবন থাকতে চান তিনি। “এটা আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে,তরুন দর্শকেরা যেনও আমাকে দেখে অনুপ্রাণিত হতে পারে।পর্দায় ইতিবাচক চরিত্রের মাধ্যমে আমি তাদের কাছে ‘আইডল’ হিসাবে সম্মান পাবো।” সালমান মজার ছলে আরও বলেন, “বাস্তবে হিরো না হতে পারলেও আমি চেষ্টা করি অন্তত পর্দায় হিরো হবার! আর আমি এটাই করতে চাই।” তরুণদের মাঝে তুমুল জনপ্রিয় এই তারকা দর্শকের মনের চিন্তা ভাবনায় কিছু একটা পরিবর্তন আনতে চান তাঁর অভিনয়ের মাধ্যমে। “আমি যখন নায়কের চরিত্রে অভিনয় করি, সেটা তরুন দর্শকদের অনুপ্রাণিত করে।তারা তাদের বাস্তব জীবনে যেনও ‘নায়ক’ হতে পারে এটাই আমার ইচ্ছা। পর্দায় হিরোকে দেখে শিক্ষা গ্রহন করাও এক ধরনের ‘শিক্ষার মাধ্যম’।” অনেকদিন ধরেই বি-টাউনে গুজব চলছিল, ‘ধুম ফোর’ সিনেমাতে ভিলেনের চরিত্রে সালমানকে দেখা যাবে। দর্শকদের প্রত্যাশার পারদ হয়ে উঠেছিলো আকাশচুম্বী। ‘ধুম থ্রি’-এর হতাশাজনক গল্পের পর সবাই নতুনভাবে এই সিরিজকে দেখতে চেয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন আগে সালমান ঘোষণা দেন, তিনি ‘ধুম ফোর’ সিনেমায় থাকছেন না। এই ঈদে সালমানের নতুন সিনেমা ‘সুলতান’ মুক্তি পাবে। এই সিনেমায় তাঁর বিপরীতে রয়েছেন আনুশকা শর্মা।