কখনো সন্ত্রাসকে উৎসাহিত করেননি দাবি করে বিতর্কিত ভারতীয় ইসলামী চিন্তাবিদ ও বক্তা ডা. জাকির নায়েক বলেছেন, গত ২৫ বছর ধরে জনসম্মুখে বক্তৃতা দিচ্ছি। তবে কখনো সন্ত্রাসকে উৎসাহিত করিনি।
আজ শুক্রবার ভারতীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌদি আরবের মদিনা থেকে স্কাইপের মাধ্যমে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
সম্মেলনের শুরুতেই ফ্রান্সের নিস শহরে বাস্তিল দিবসের অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলায় কমপক্ষে ৮০ জন নিহত হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান জাকির নায়েক।
তিনি বলেন, জিহাদের নামে আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা ইসলামে দ্বিতীয় বড় পাপ। এটা ইসলামে নিষিদ্ধ, হারাম।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানে সন্ত্রাসী হামলায় অংশগ্রহণকারীরা জাকির নায়েকের ভাষণ থেকে উদ্বুদ্ধ হয়। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জাকির নায়েক বলেন, আমার ভাষণের কোন অংশটা বাংলাদেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে, সেই পুরো অনুষ্ঠানটি দেখানো হোক।
কোনো ভাষণেই সন্ত্রাসের পক্ষে কথা বলেননি দাবি করে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ‘ডক্টরড টেপ’ অর্থাৎ কাটছাঁট করা ভিডিও দেখেই আমার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার অভিযোগ করছে সংবাদমাধ্যম। কিন্তু আমি কখনো সন্ত্রাসকে সমর্থন করিনি।
এই ইসলামী চিন্তাবিদ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে এরকম ছোট কিছু ভিডিও ক্লিপ দেখেই এ ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে। কয়েকটা ভিডিও ক্লিপে আবার আমার ভাষণের একটি দুটি বাক্য অপ্রাসঙ্গিকভাবে তুলে নিয়ে প্রচার করা হচ্ছে।
চ্যালেঞ্জ করে জাকির নায়েক বলেন, পিস টিভিতে দেওয়া আমার পুরো ভাষণগুলো কেউ দেখিয়ে বলুক কোন অংশটা ভারত বা বাংলাদেশের জন্য অশান্তি তৈরি করতে পারে?
তথাকথিত ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সম্প্রতি ভারতে আটক এক যুবকের বাবা অভিযোগ করেছেন, তার ছেলে জাকির নায়েকের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করেছিল। এ ছাড়া আইএসের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ভারতে আরও কয়েকজনের পরিবার অভিযোগ করেছে, তারা জাকির নায়েকের বক্তব্য দেখেই সন্ত্রাসী কার্যকলাপে উদ্বুদ্ধ হয়।
এই প্রসঙ্গে এই ইসলামী বক্তা বলেন, আমি প্রতি মাসে কয়েক হাজার মানুষের সঙ্গে দেখা করি। তারা আমার সঙ্গে ছবিও তোলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র হাতে গোনা কয়েকজনকেই আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি।
ভারতে তার পিস টিভি চ্যানেলটি দেখানোর অনুমতি কেন দেয়নি সরকার? এ প্রশ্নের জবাবে জাকির নায়েক বলেন, কেন অনুমতি দেওয়া হয়নি। এর একটি কারণ আমি আন্দাজ করতে পারি। পিস টিভি একটা মুসলিম চ্যানেল, এটি ইসলামি চ্যানেল। সেজন্যই অনুমতি দেয়নি ভারত সরকার।
মুম্বাই পুলিশ যে তদন্ত চালাচ্ছে, সেই তদন্তের মুখোমুখি হতেও রাজী জাকির নায়েক। তবে ওই তদন্তের কথা তিনি শুধু সংবাদমাধ্যমেই জেনেছেন। সরকারি পর্যায়ে কেউ তার সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করেনি বলে জানান তিনি।
আজ শুক্রবার ভারতীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌদি আরবের মদিনা থেকে স্কাইপের মাধ্যমে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
সম্মেলনের শুরুতেই ফ্রান্সের নিস শহরে বাস্তিল দিবসের অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলায় কমপক্ষে ৮০ জন নিহত হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান জাকির নায়েক।
তিনি বলেন, জিহাদের নামে আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা ইসলামে দ্বিতীয় বড় পাপ। এটা ইসলামে নিষিদ্ধ, হারাম।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানে সন্ত্রাসী হামলায় অংশগ্রহণকারীরা জাকির নায়েকের ভাষণ থেকে উদ্বুদ্ধ হয়। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জাকির নায়েক বলেন, আমার ভাষণের কোন অংশটা বাংলাদেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে, সেই পুরো অনুষ্ঠানটি দেখানো হোক।
কোনো ভাষণেই সন্ত্রাসের পক্ষে কথা বলেননি দাবি করে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ‘ডক্টরড টেপ’ অর্থাৎ কাটছাঁট করা ভিডিও দেখেই আমার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার অভিযোগ করছে সংবাদমাধ্যম। কিন্তু আমি কখনো সন্ত্রাসকে সমর্থন করিনি।
এই ইসলামী চিন্তাবিদ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে এরকম ছোট কিছু ভিডিও ক্লিপ দেখেই এ ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে। কয়েকটা ভিডিও ক্লিপে আবার আমার ভাষণের একটি দুটি বাক্য অপ্রাসঙ্গিকভাবে তুলে নিয়ে প্রচার করা হচ্ছে।
চ্যালেঞ্জ করে জাকির নায়েক বলেন, পিস টিভিতে দেওয়া আমার পুরো ভাষণগুলো কেউ দেখিয়ে বলুক কোন অংশটা ভারত বা বাংলাদেশের জন্য অশান্তি তৈরি করতে পারে?
তথাকথিত ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সম্প্রতি ভারতে আটক এক যুবকের বাবা অভিযোগ করেছেন, তার ছেলে জাকির নায়েকের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করেছিল। এ ছাড়া আইএসের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ভারতে আরও কয়েকজনের পরিবার অভিযোগ করেছে, তারা জাকির নায়েকের বক্তব্য দেখেই সন্ত্রাসী কার্যকলাপে উদ্বুদ্ধ হয়।
এই প্রসঙ্গে এই ইসলামী বক্তা বলেন, আমি প্রতি মাসে কয়েক হাজার মানুষের সঙ্গে দেখা করি। তারা আমার সঙ্গে ছবিও তোলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র হাতে গোনা কয়েকজনকেই আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি।
ভারতে তার পিস টিভি চ্যানেলটি দেখানোর অনুমতি কেন দেয়নি সরকার? এ প্রশ্নের জবাবে জাকির নায়েক বলেন, কেন অনুমতি দেওয়া হয়নি। এর একটি কারণ আমি আন্দাজ করতে পারি। পিস টিভি একটা মুসলিম চ্যানেল, এটি ইসলামি চ্যানেল। সেজন্যই অনুমতি দেয়নি ভারত সরকার।
মুম্বাই পুলিশ যে তদন্ত চালাচ্ছে, সেই তদন্তের মুখোমুখি হতেও রাজী জাকির নায়েক। তবে ওই তদন্তের কথা তিনি শুধু সংবাদমাধ্যমেই জেনেছেন। সরকারি পর্যায়ে কেউ তার সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করেনি বলে জানান তিনি।

0 comments: